গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার কালামপুর এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে সুজন মিয়া নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
আটক সুজন মিয়া মৌচাক ইউনিয়নের ভুলুয়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই যুবকের বিরুদ্ধে এর আগেও শিশুদের যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। একই ধরনের একটি ঘটনায় প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকার পর কয়েক মাস আগে তিনি জামিনে মুক্তি পান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ওই শিক্ষার্থী স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় সুজন তাকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে আটক করেন এবং পুলিশে খবর দেন।
মৌচাক ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোস্তাফা দেওয়ান পাপ্পু বলেন, ওই যুবকের বিরুদ্ধে আগেও শিশুদের যৌন হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। তিনি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জে মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী নয়াপাড়া এলাকার তানজিলুল কোরআন প্রি-ক্যাডেট মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে দোকানে যাওয়ার পথে ওই শিক্ষকের সঙ্গে শিশুটির দেখা হয়। কথাবার্তার একপর্যায়ে শিক্ষক শিশুটির বাড়িতে কেউ না থাকার বিষয়টি জানতে পারেন বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে তিনি শিশুটির বাড়িতে গিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। পরে রাতে শিশুটির মা বাড়িতে ফিরলে সে বিষয়টি মাকে জানায়। ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
নোট: অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্তাধীন। আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

