prince mamun remmand namonjur

দৈনিক রিপোর্ট ডেস্ক:

স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক দাবি, শারীরিক নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর আবদুল্লাহ আল মামুন, যিনি ‘প্রিন্স মামুন’ নামে পরিচিত, তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলামের আদালতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।

শুনানিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াউর রহমান আসামিকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ অস্বীকার করে জামিন প্রার্থনা করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জামিন আবেদন খারিজ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে প্রিন্স মামুনকে গ্রেপ্তার করে ভাটারা থানা পুলিশ।

মামলার নথি অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে তাঁর স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা ভাটারা থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে ওই মামলায় প্রিন্স মামুনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, পেশায় ফ্যাশন মডেল মোহনার সঙ্গে প্রায় পাঁচ মাস আগে প্রিন্স মামুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরকীয়ায় জড়িত থাকা এবং মাদক সেবনের বিষয়ে প্রশ্ন তুললে মামুন প্রায়ই তাঁকে মারধর করতেন।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, দোকান করার অজুহাতে বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির কাছে এক কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন প্রিন্স মামুন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি স্ত্রীর ওপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বসুন্ধরা এলাকায় স্ত্রীর বাসায় গিয়ে আবারও এক কোটি টাকা দাবি করেন তিনি। বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে চাপ দিলে মোহনা তা প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর তাঁদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।

একপর্যায়ে প্রিন্স মামুন তাঁকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারেন এবং গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এতে মোহনার বাঁ চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম, ডান কানে আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

Leave A Reply

© 2026 দৈনিক রিপোর্ট | সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আদিল
Exit mobile version