সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম রিমান্ডে মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মাকসুদাকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, মাকসুদাকে বিস্তারিত ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য মামলার তদন্তে সহায়ক হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে মাকসুদা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ওবায়দুর রহমানের প্ররোচনায় গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়মের বিয়ে হয় ১৭ জুন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই রাতেই তার বাবা মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।
এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর আদালত গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিন এবং মাকসুদা ইসলামকে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওবায়দুর রহমান এখনো পলাতক রয়েছেন।
মামলাটির তদন্তে এখন মাকসুদার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও অন্যান্য আলামত যাচাই করা হচ্ছে বলে পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

