
নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক রিপোর্ট
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, নিরাপদ ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করতে ছয়টি পৃথক কমিটি গঠন করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে রোববার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকার গঠন ও রাষ্ট্রাচার শাখা থেকে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে ২০২৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। নির্বাচন শেষে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। সেই আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এসব কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।
গঠিত কমিটিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সমন্বয় কমিটি, ডকুমেন্টেশন ও রেকর্ড সংরক্ষণ কমিটি, অতিথি তালিকা ও আমন্ত্রণপত্র প্রস্তুত কমিটি, আমন্ত্রণপত্র বিতরণ ও উপস্থিতি যাচাই কমিটি, আসন ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং অভ্যর্থনা কমিটি।
সমন্বয় কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন সমন্বয় ও সংস্কার সচিব ফারাহ শাম্মী। এই কমিটি শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করবে এবং অন্যান্য উপকমিটির কাজ সমন্বয়ের পাশাপাশি প্রস্তুতির অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে অবহিত করবে।
ডকুমেন্টেশন ও রেকর্ড সংরক্ষণ কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শপথ অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় নথি, শপথপাঠের ফোল্ডার, অনুষ্ঠান পরিচালনার ধারাক্রম এবং অন্যান্য সরকারি কাগজপত্র প্রস্তুত ও সংরক্ষণের। একই কর্মকর্তা অতিথি তালিকা প্রস্তুত ও আমন্ত্রণপত্র মুদ্রণ কমিটিরও নেতৃত্ব দেবেন। এই কমিটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে আমন্ত্রিতদের তালিকা তৈরি করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমন্ত্রণপত্র প্রস্তুত করবে।
এ ছাড়া আমন্ত্রণপত্র বিতরণ, অতিথিদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, আসনবিন্যাস নির্ধারণ এবং অনুষ্ঠানস্থলে অতিথিদের অভ্যর্থনার জন্য পৃথক কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটি সমন্বিতভাবে শপথ অনুষ্ঠানের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিটি কমিটি অতিরিক্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। পাশাপাশি দ্রুত সভা করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং নিয়মিত অগ্রগতি প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
