সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৮১৭ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি। এসব প্রার্থীর যাচাই-বাছাই কার্যক্রম ধাপে ধাপে চলছে এবং আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত তা চলবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জন উত্তীর্ণ হন। তাঁদের মধ্যে ৫৩০ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে চূড়ান্ত আবেদন করেননি। ফলে ১৩ হাজার ৮৫৪ জনের চূড়ান্ত আবেদন পাওয়া যায়।
চূড়ান্ত আবেদনকারীদের নিয়োগপত্র পর্যায়ক্রমে দেওয়া হচ্ছে। তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়োগপত্র দেওয়ার সময় অনেক প্রার্থীর ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের তথ্য ও ঠিকানা যাচাই করে ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমানে ৮১৭ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া বাকি রয়েছে। মন্ত্রী জানান, তাঁদের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য ও যাচাই কার্যক্রম সংগ্রহ করা হচ্ছে। কারও ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছে, আবার কারও যাচাই প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ১ অক্টোবরের পর কতজন প্রার্থী শেষ পর্যন্ত নিয়োগপত্র থেকে বাদ পড়ছেন, তা চূড়ান্তভাবে জানা যাবে। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত এ সংখ্যা ২০, ৫০ কিংবা ১০০—কত হবে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে যাচাই শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
সভায় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদি আমিন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

