অনলাইনে নিষিদ্ধ কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও বিক্রির অভিযোগে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। একই মামলায় তাঁর সহযোগী হিসেবে পরিচিত খাজা সাকলায়েন ফারুককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
ভাটারা থেকে গ্রেপ্তার সুমাইয়া
ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ আগস্ট রাতে রাজধানীর ভাটারা থানার আওতাধীন একটি বাসা থেকে সুমাইয়া সাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমাইয়ার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর কথিত সহযোগী খাজা সাকলায়েন ফারুকের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
পরে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে সাকলায়েন ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিনে বাড্ডা লিংক রোড এলাকা থেকেও মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ডিবি।
ডিভাইস জব্দ, তদন্তে আরও নাম
ডিবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও জব্দ করা ডিভাইসের তথ্য বিশ্লেষণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ কনটেন্টের প্রচার, বিক্রি ও আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে বলে পুলিশের দাবি।
তদন্তে এ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছে ডিবি। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে।
পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা
ঘটনায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার মূল রহস্য উদঘাটন এবং পলাতক সহযোগীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য আসামিদের বিরুদ্ধে তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।
তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

