দৈনিক রিপোর্ট ডেস্কঃ

নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নের আচুরা গ্রামে এক নারীকে কৌশলে ডেকে এনে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ওই ইউনিয়নের আজিজ ঢালীর বাগানে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে নড়িয়া থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, পালং থানার আটিপাড়া গ্রামের আঃ হাই খন্দকারের ছেলে হযরত আলী খন্দকার (৪২), নড়িয়া থানার আচুরা গ্রামের আলমগীর বেপারীর ছেলে রাব্বি (২৮), একই গ্রামের মালেক খন্দকারের ছেলে ইমন খন্দকার (২৬)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত হযরত আলী খন্দকার ভুক্তভোগীর স্বামী রাজিব আহম্মেদ খানকে (৪৪) মুঠোফোনে কল দেন। ইয়াবা কারবারিকে আটক করার কথা বলে তাকে আজিজ ঢালীর বাগানে ডেকে নেওয়া হয়। রাজিব সেখানে পৌঁছামাত্রই গ্রেফতারকৃত ৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩–৪ জন মিলে তাকে রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে। এরপর রাজিবের মুক্তিপণ হিসেবে তার স্ত্রীকে টাকা নিয়ে বাগানে আসার জন্য বলা হয়।
​স্বামীর বিপদের কথা শুনে ভুক্তভোগী নারী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের হাত থেকে মুক্ত হয়ে ওই নারী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে নড়িয়া থানা পুলিশ দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে ততক্ষণে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর অভিযান চালিয়ে ৩ অভিযুক্তকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

​এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বাহার মিয়া জানান:
​”জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে যায়। ভুক্তভোগীর বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে রাতেই অভিযান চালিয়ে প্রধান ৩ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

Leave A Reply

© 2026 দৈনিক রিপোর্ট | সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ আদিল
Exit mobile version