নিজস্ব প্রতিবেদক | কিশোরগঞ্জ | ১২ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘ ছয় বছর পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা হওয়া সোনা ও রুপার ওজন নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফ এবং জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক রমজান আলীসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সোনা-রুপা বাছাই ও গণনার কাজ চলছে
সোমবার বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত দানবাক্সে পাওয়া সোনা-দানা ও বৈদেশিক মুদ্রা বাছাইয়ের কাজ চলছিল। এ কার্যক্রম পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
সোনা-রুপার ওজন নির্ধারণ ও গণনার কাজে অংশ নেন ১০ জন স্বর্ণকার এবং রূপালী ব্যাংকের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, পরিমাপ ও গণনার কাজ শেষ হতে দুপুর গড়িয়ে যেতে পারে।
পাগলা মসজিদ দেশের অন্যতম পরিচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এখানে নিয়মিত বিপুলসংখ্যক মানুষ দান করেন। দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় গণনা ও সংরক্ষণ করা হয়।
তবে এবার সোনা-রুপার মোট ওজন, বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ এবং অন্যান্য সামগ্রীর হিসাব সম্পন্ন হওয়ার পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
