স্পোর্টস ডেস্ক
গাজা যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে আয়ারল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হেইমির হালগ্রিমসনের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (IFA)। সংগঠনটি হালগ্রিমসনের বক্তব্যকে ‘অজ্ঞতা, ভণ্ডামি ও বোকামি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
আয়ারল্যান্ড ও ইসরায়েলের মধ্যে উয়েফা নেশন্স লিগের দুটি ম্যাচ সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে হালগ্রিমসন বলেন, “আমরা গণহত্যার সঙ্গে খেলছি না, গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছি।” তিনি আরও বলেন, তাঁর দল ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলবে, ইসরায়েলের সঙ্গে নয়।
এর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাঁর বক্তব্যের সমালোচনা করে। আইএফএর এ মন্তব্যের বিষয়ে আয়ারল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (FAI) এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
ম্যাচ বয়কটের আহ্বান
এদিকে ১৬০-এর বেশি আইরিশ ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়াব্যক্তিত্ব ‘Irish Sport for Palestine’ নামে একটি গোষ্ঠীর খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অলিম্পিয়ান সিয়ারা ম্যাজিন, সাবেক নারী ফুটবলার লুইস কুইন, সাবেক রাগবি খেলোয়াড় টনি ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন খেলার ক্রীড়াবিদ রয়েছেন।
চিঠিতে আয়োজকদের পাশাপাশি আয়ারল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, উয়েফা ও আইরিশ সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে FAI-এর জুলাইয়ের সাধারণ সভায় ইসরায়েলের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচ দুটি খেলার পক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়ে। ১১৪ সদস্যের মধ্যে ৭৫ জন খেলার পক্ষে, ৩২ জন বিপক্ষে এবং ৩ জন ভোটদানে বিরত ছিলেন।
FAI আগে জানিয়েছিল, ম্যাচ দুটি বয়কট করলে আইরিশ ফুটবলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। কোচ হালগ্রিমসনও এর আগে জানিয়েছিলেন, ম্যাচ বয়কট করলে দল প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হারাতে পারে।
নিরপেক্ষ ভেন্যুতে দুই ম্যাচ
আয়ারল্যান্ড ও ইসরায়েলের ম্যাচ দুটি নিরাপত্তা ও সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতির কারণে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করা হচ্ছে। ২৭ সেপ্টেম্বর ইসরায়েল ‘হোম’ দল হিসেবে হাঙ্গেরির দেব্রেসেনে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। আর ৪ অক্টোবর আয়ারল্যান্ডের ‘হোম’ ম্যাচটি সার্বিয়ার বাচকা তোপোলায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ম্যাচটি দর্শকশূন্য মাঠে আয়োজনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
FAI জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও ম্যাচ আয়োজনের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্বিতীয় ম্যাচটি আয়ারল্যান্ডের বাইরে নেওয়া হয়েছে।
গাজা যুদ্ধের প্রসঙ্গ
হালগ্রিমসনের ‘genocide’ বা ‘গণহত্যা’ শব্দ ব্যবহারের পেছনে গাজার যুদ্ধ পরিস

