ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দাদি মারা গেছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) ভারতের মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার সান্তুক পিম্পরি গ্রামে তাঁর মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা ও বয়সজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।
দাদির মৃত্যুর সময় অভিজিৎ দীপকে দিল্লিতে ছিলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে দিল্লিতে যান তিনি। তবে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাঁকে আটক করে পুলিশ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বরাতে ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস (আইএএনএস) জানিয়েছে, অভিজিৎ দীপকের দাদি ছিলেন তাঁর বাবা ভগবান দীপকের মা।
দাদির শেষকৃত্যে যোগ দিতে পারবেন অভিজিৎ?
দাদির মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর অভিজিৎ দীপকে পরিবারের কাছে ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাঁকে মহারাষ্ট্রে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবান দীপকে ও মা অনিতা বর্তমানে মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে রয়েছেন। তাঁদের বাসভবনের বাইরে পুলিশ মোতায়েন ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দাদির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর শেষকৃত্যে অংশ নিতে তাঁদের হিঙ্গোলি যাওয়ার কথা।
বিক্ষোভে যোগ দিতে গিয়ে আটক সিজেপির তিন নেতা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। দেশটির ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার বিমানবন্দরে অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে দলের আরও দুই সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকেও আটক করা হয়।
অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে পুলিশকে বলতে শোনা যায়, তিনি গ্রেপ্তার হতে এসেছেন এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করা হোক।
তবে দাদির মৃত্যুর পর তাঁকে মুক্তি দেওয়া হবে কি না কিংবা পরিবারের কাছে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ও আইএএনএস।

