আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ব্যাপক ধরপাকড় ও উত্তেজনার পরও ভারতের রাজধানী দিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। নতুন কর্মসূচিকে ঘিরে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে যন্তর মন্তর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানোর পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য।
শনিবারের অভিযানের পরও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ) নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। রোববার সকাল ১০টা থেকে যন্তর মন্তর অভিমুখে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে সংগঠন দুটি।
আটক তিন নেতা মুক্ত
শনিবার বিমানবন্দর থেকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক এবং দলের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছিল। রোববার সকালে তাঁদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর মুক্তি দেওয়া হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার রাতে আটক প্রায় পাঁচ হাজার আন্দোলনকারীকেও ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। তাঁদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার ও কেরলের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গণ-আটক ও ইন্টারনেট বন্ধের অভিযোগ
দিল্লিজুড়ে গণ-আটক, যাতায়াতে বিধিনিষেধ এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের অভিযোগ তুলে রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন। রোববার আবেদনটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এদিকে, নতুন করে আন্দোলনের ঘোষণার পর যন্তর মন্তরসহ দিল্লির বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে।
শনিবারের ধরপাকড়ের পরও আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা রাজধানীর পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। নতুন কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লির পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

