নিজস্ব প্রতিবেদক
জ্ঞাত আয়ের বাইরে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাতের সম্পদের হিসাব তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা নোটিশে নির্ধারিত ছকে নিজের, স্ত্রী ও তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে থাকা সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস এবং সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ জমা দিতে বলা হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার পর ২১ কর্মদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিবরণী না দিলে অথবা মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিলে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার দুদক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আবুল বারকাতের বিরুদ্ধে ব্যাংক ঋণসংক্রান্ত একাধিক দুর্নীতির মামলায় অভিযোগ রয়েছে। ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় তাঁকে ২০২৫ সালের ১১ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এ ছাড়া এননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের মামলাতেও তিনি চার্জশিটভুক্ত আসামি। ওই মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের অক্টোবরে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।
দুদকের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকঋণ অনুমোদন ও বিতরণে অনিয়মের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বিপুল অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব মামলার তদন্ত ও সম্পদ অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় আবুল বারকাতের সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়েছে।

