নিজস্ব প্রতিবেদক
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নির্যাতনের অভিযোগে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের অগ্রগতি জানতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গেছেন কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ খাঁন।
বুধবার ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজের অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নেন তিনি। তাঁর অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে প্রসিকিউশন সূত্রে জানানো হয়েছে।
রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাকে আটক করে নির্যাতন করা হয়। তাঁর দাবি, একটি টর্চার সেলে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল।
এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে এ বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করেন রাশেদ খাঁন। অভিযোগে তিনি ইশতিয়াক আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন।
রাশেদ খাঁনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর চিফ প্রসিকিউটর জানান, অভিযোগটি যাচাই-বাছাই ও তদন্তের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন এবং অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা কী—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে আদালতে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
রাশেদ খাঁন ও রাশেদ খান মেনন এক নন
এ প্রতিবেদনে আলোচিত রাশেদ খাঁন হলেন ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা। তিনি ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন নন। রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৃথক মামলা রয়েছে।

