শেফিল্ড ইউনাইটেডে স্থায়ীভাবে ফেরার একদিন পরই প্রথম একাদশে নেমে মাঠে নিজের প্রত্যাবর্তন স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি বাংলাদেশের তারকা ফুটবলার হামজা চৌধুরী। তবে তাঁর দল বল্টন ওয়ান্ডারার্সকে ৩-২ গোলে হারিয়ে জয় পেয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে শেফিল্ড ইউনাইটেডের ঘরের মাঠ ব্রামল লেনে চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে হামজার মুখোমুখি হন শ্রীলঙ্কায় জন্ম নেওয়া বল্টনের মিডফিল্ডার জাভিয়ার সিমন্স। ম্যাচটি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও আলাদা আগ্রহ তৈরি করে।
শেফিল্ডের ডান-ব্যাক পজিশনে খেলা হামজা শুরুতেই চাপের মুখে পড়েন। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই বল্টনের উইঙ্গার থিয়েরি গ্যালে বাম প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে হামজাকে পেরিয়ে ক্রস করেন। সতীর্থরা প্রথম বল ঠেকালেও ফিরতি বল থেকে গোল করেন জাভিয়ার সিমন্স। ফলে ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে শেফিল্ড।
তবে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। তিন মিনিট পর জাপেত টাঙ্গাঙ্গার গোলে সমতা ফেরায় শেফিল্ড। বিরতির আগে হামজার সামনে গোল করার একটি বড় সুযোগও এসেছিল, কিন্তু তিনি তা কাজে লাগাতে পারেননি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য স্টার’ হামজাকে ম্যাচে ১০-এর মধ্যে ৫ রেটিং দিয়েছে। তাদের মতে, পুরো ম্যাচে হামজা স্বস্তিতে ছিলেন না এবং ডান-ব্যাক পজিশনেও নিজেকে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে ৬৭ মিনিটে আবার গোল হজম করে শেফিল্ড। তবে এক মিনিটের ব্যবধানেই প্যাট্রিক বামফোর্ড সমতা ফেরান। ম্যাচের যোগ করা সময়ে, ৯০+৩ মিনিটে রোমেল ডোনোভানের গোলে নাটকীয় জয় নিশ্চিত করে শেফিল্ড ইউনাইটেড।
ম্যাচ শেষে হামজা বলেন, ব্রামল লেনে ফিরে খেলতে পেরে তাঁর ভালো লেগেছে। স্টেডিয়াম ও সমর্থকদেরও বিশেষ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
গত ৩১ আগস্ট লেস্টার সিটি থেকে স্থায়ীভাবে শেফিল্ড ইউনাইটেডে যোগ দেন হামজা। এর আগে গত মৌসুমে ধারে ক্লাবটির হয়ে ১৯টি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। শেফিল্ডকে প্লে-অফ ফাইনালে তুলতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।

