
দৈনিক রিপোর্ট ডেস্ক:
সুপ্রিম কোর্টের ২৬৫ জন আইনজীবীকে নতুন করে রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৮৬ জনকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) এবং ১৭৯ জনকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পূর্বের নিয়োগাদেশ বাতিল করে নতুন এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগ বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার, ১৯৭২–এর ৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে কার্যকর করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করবেন।
এটি বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে ডিএজি ও এএজি পদে প্রথম বড় নিয়োগ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়। গত মার্চ মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে ১০৩ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ২৩০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্ব পালন করছিলেন। এত বিপুলসংখ্যক আইন কর্মকর্তা নিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়েও তখন আইন বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন তুলেছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আইন কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের উদ্যোগ নেন এবং এ লক্ষ্যে একটি পারফরম্যান্স ইভ্যালুয়েশন পরীক্ষা আয়োজন করা হয়।
পরবর্তীতে কয়েকজন ডিএজি ও এএজি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন নিয়োগের আগে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে ৯৩ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ২১৩ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাদের মধ্যে কেউ নতুন তালিকায় স্থান পেয়েছেন, আবার কেউ বাদ পড়েছেন।
নতুন নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আদেশ জারির সঙ্গে সঙ্গেই এই নিয়োগ কার্যকর হবে।
