জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার ভাটারা এলাকায় মো. শামীম মিয়াকে হত্যাচেষ্টার মামলায় শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএম মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী লিটন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান গত ২৭ অক্টোবর মোজাম্মেল হককে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন ধার্য করেন।
সোমবার সকালে মোজাম্মেল হককে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী লিটন মিয়াসহ কয়েকজন আইনজীবী তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।
উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত মোজাম্মেল হককে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
কী ঘটেছিল শামীম মিয়ার সঙ্গে?
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ঢাকার ভাটারা থানার ১০০ ফিট সড়কে জুলাই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন মো. শামীম মিয়া। এ সময় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে শামীমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে চারটি গুলি লাগে।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে তিনি হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।
ওই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য বিএম মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।

