মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত আলিম পরীক্ষায় গত এক দশকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য ওঠানামা দেখা গেছে। ২০১৬ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২০২২ সালে। ওই বছর ১৫ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২০১৮ সালে, মাত্র ১ হাজার ২৫১ জন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৬ সালে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ হাজার ৪২৩ জন। ২০১৭ সালে এই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮১৫ জনে। ২০১৮ সালে আরও কমে ১ হাজার ২৫১ জনে নেমে আসে।
তবে পরবর্তী বছরগুলোতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। ২০১৯ সালে ২ হাজার ২৪৩ জন এবং ২০২০ সালে ৪ হাজার ৪৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পান। ২০২১ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮৭২ জনে।
২০২২ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক লাফে বেড়ে ১৫ হাজার ৪৫৭ জনে পৌঁছায়, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এরপর ২০২৩ সালে তা কমে ৭ হাজার ৯৭ জনে নেমে আসে। ২০২৪ সালে আবার বেড়ে ৯ হাজার ৬১৩ জন হলেও ২০২৫ সালে পুনরায় কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ২৬৮ জনে।
গত ১০ বছরের জিপিএ-৫-এর পরিসংখ্যান
| সাল | জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী |
|---|---|
| ২০১৬ | ২,৪২৩ জন |
| ২০১৭ | ১,৮১৫ জন |
| ২০১৮ | ১,২৫১ জন |
| ২০১৯ | ২,২৪৩ জন |
| ২০২০ | ৪,০৪৮ জন |
| ২০২১ | ৪,৮৭২ জন |
| ২০২২ | ১৫,৪৫৭ জন |
| ২০২৩ | ৭,০৯৭ জন |
| ২০২৪ | ৯,৬১৩ জন |
| ২০২৫ | ৪,২৬৮ জন |
এক বছরে কমেছে ৫৫ শতাংশের বেশি
২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫ হাজার ৩৪৫ জন। শতকরা হিসাবে এই হ্রাসের পরিমাণ প্রায় ৫৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের আলিম পরীক্ষার্থীরাও এই ফলাফলের আওতাভুক্ত।

