জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টার জন্য টোল ছাড়াই ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে পারবেন যানবাহন চালকেরা। এদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলাচল করলে কোনো টোল দিতে হবে না।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জনসাধারণের সুবিধার্থে ৭ নভেম্বর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব যানবাহনের জন্য ছয় ঘণ্টার টোল ফ্রি সুবিধা কার্যকর থাকবে। নির্ধারিত সময়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের কোনো টোল পরিশোধ করতে হবে না।
কোন সময় টোল দিতে হবে না?
আগামী শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই সুবিধা কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ নির্ধারিত ছয় ঘণ্টা ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে কোনো টোল লাগবে না।
তবে দুপুর ১২টার পর থেকে আগের নিয়মে টোল আদায় করা হবে।
সাধারণ সময়ে এক্সপ্রেসওয়ের টোল কত?
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল নির্ধারণ করা হয়েছে।
-
কার, ট্যাক্সি, মাইক্রোবাস ও হালকা ট্রাক: ৮০ টাকা।
-
বাস (১৬ আসন বা তার বেশি): ১৬০ টাকা।
-
মাঝারি ট্রাক (৬ চাকা পর্যন্ত): ৩২০ টাকা।
-
৬ চাকার বেশি ট্রাক: ৪০০ টাকা।
এ ছাড়া এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল, রিকশা ও অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ।
এক্সপ্রেসওয়ে সম্পর্কে কিছু তথ্য
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। এটি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলা থেকে শুরু হয়ে তেজগাঁও, মগবাজার ও কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কাছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে কাওলা থেকে এফডিসি পর্যন্ত অংশে যানবাহন চলাচল করছে।
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে নির্মিত হচ্ছে এই প্রকল্প। পুরো নির্মাণকাজ শেষ হলে রাজধানীর যানজট কমাতে এবং এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত যাতায়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছয় ঘণ্টার টোল ছাড়ের সিদ্ধান্তে নির্ধারিত সময়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীরা আর্থিক সুবিধা পাবেন।

