গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসা অভিভাবক শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের কোনো অভিযান চালানো হয়নি। তাকে গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার খবরও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নেয়নি পুলিশ
ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন জানান, এ বিষয়ে তিনি গাজীপুরের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তার দাবি, টঙ্গীর মাদ্রাসার ঘটনায় শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি পুলিশ। এ ছাড়া তাকে গ্রেপ্তারে কোনো অভিযানও পরিচালনা করা হয়নি।
তিনি আরও দাবি করেন, শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকেও পুলিশকে কোনো পরামর্শ দেওয়া হয়নি।
গণমাধ্যমের খবর নিয়ে রাশেদ খাঁনের বক্তব্য
রাশেদ খাঁন বলেন, কয়েকটি গণমাধ্যমে শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চালানোর বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ ধরনের খবরের বিষয়ে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতেই তিনি ফেসবুকে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন।
কী ঘটেছিল টঙ্গীর মাদ্রাসায়?
গাজীপুরের টঙ্গীর একটি মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি আলোচনায় আসে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক মোসলেহ উদ্দিনকে থাপ্পড় মারার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি ঘিরে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে শিশুর সুরক্ষা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট সবার আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের কোনো অভিযান হয়নি—রাশেদ খাঁনের এই বক্তব্যের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরের বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি।
