স্পোর্টস ডেস্ক
লা লিগায় প্রতিপক্ষের ফাউলের শিকার হওয়ার দিক থেকে গত কয়েক মৌসুম ধরে শীর্ষে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ড্রিবলিং ও গতি দিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙার চেষ্টা করায় তাঁকে থামাতে প্রায়ই ফাউল করেন ডিফেন্ডাররা।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস (AS)–এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে লা লিগায় ভিনিসিয়ুসের মতো এত বেশি ফাউলের শিকার আর কোনো খেলোয়াড় হননি। ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে ২০২৫-২৬ মৌসুম পর্যন্ত তিনি লিগে ২২৬ ম্যাচে প্রতিপক্ষের ফাউলের শিকার হয়েছেন মোট ৪৯১ বার।
চলতি মৌসুমেও একই চিত্র দেখা গেছে। রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম ম্যাচে এসপানিওলের বিপক্ষে ভিনিসিয়ুসকে আটবার ফাউল করা হয়। এরপর রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে তাঁকে আরও দুবার ফাউল করা হয়েছে। অর্থাৎ, মৌসুমের প্রথম দুই ম্যাচেই ১০টি ফাউলের শিকার হয়েছেন তিনি।
ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করলেই কি কার্ড?
এএসের পরিসংখ্যান বলছে, লা লিগায় ভিনিসিয়ুসকে গড়ে ১৬ বার ফাউল করার পর প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় একটি হলুদ কার্ড দেখেন। অর্থাৎ, তাঁকে ফাউল করার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণত কার্ড দেখানো হয় না।
বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের পরিসংখ্যান এখানে বেশ ভিন্ন। ইয়ামালকে গড়ে ৩ বার ফাউল করার পর প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় একটি হলুদ কার্ড দেখেন।
লাল কার্ডের হিসাবেও দুজনের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। ভিনিসিয়ুসকে গড়ে ৬৮ বার ফাউল করার পর ফাউল করা খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেছেন। ইয়ামালের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা মাত্র ১১টি ফাউল।
চ্যাম্পিয়নস লিগেও ভিনিসিয়ুস ফাউলের শীর্ষে
শুধু লা লিগা নয়, চ্যাম্পিয়নস লিগেও ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হয়েছেন ভিনিসিয়ুস। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় এখন পর্যন্ত তিনি ১৩১ বার ফাউলের শিকার হয়েছেন।
তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ভিনিসিয়ুস ও ইয়ামালকে ফাউল করার পর কার্ড দেখানোর হার প্রায় একই। সেখানে গড়ে প্রতি তিনটি ফাউলের বিপরীতে একটি হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে।
পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, রিয়ালের আক্রমণে ভিনিসিয়ুসের গুরুত্ব যত বেড়েছে, প্রতিপক্ষের রক্ষণেও তাঁকে থামানোর প্রবণতা তত বেড়েছে। বিশেষ করে বাঁ প্রান্ত দিয়ে তাঁর দ্রুতগতির দৌড় ও ড্রিবলিং প্রতিপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
