২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের প্রচারণাকে খুব একটা কার্যকর মনে করছেন না ফ্রান্স ফুটবলের সাবেক সম্পাদক পাসকাল ফেরে। এমনকি ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও এবার এমবাপ্পেকে তিনি ভোট দিতেন না বলে জানিয়েছেন।
আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। বিশ্বজুড়ে ১০০ জন বিশিষ্ট সাংবাদিকের ভোটে নির্ধারিত হবে ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ এই ব্যক্তিগত পুরস্কার।
এবার এমবাপ্পের পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তিগুলোর একটি হলো তাঁর দুর্দান্ত গোলস্কোরিং পারফরম্যান্স। লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের একজন হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
এমবাপ্পে নিজেও নিজের পারফরম্যান্সকে সামনে রেখে ব্যালন ডি’অর নিয়ে কথা বলেছেন। তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাসকাল ফেরে বলেন, ব্যালন ডি’অর প্রচারণা চালিয়ে চেয়ে নেওয়ার বিষয় নয়; এটি পারফরম্যান্স দিয়ে অর্জন করতে হয়। তাঁর মতে, ভোটাররা অভিজ্ঞ ও স্বাধীনচেতা হওয়ায় গণমাধ্যমের প্রচারণা তাদের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলে না।
ফেরে আরও বলেন, দলীয় কোনো শিরোপা না থাকায় তিনি নিজে এমবাপ্পেকে ভোট দিতেন না। তাঁর যুক্তি, ফুটবল একটি দলীয় খেলা এবং বড় কোনো ট্রফি না জেতা খেলোয়াড়কে বিশ্বের সেরা হিসেবে বেছে নেওয়া তাঁর কাছে অস্বাভাবিক।
গত মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ৪৪ ম্যাচে ৪২ গোল করেন এমবাপ্পে। ব্যক্তিগতভাবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেও দল হিসেবে রিয়াল কোনো শিরোপা জিততে পারেনি।
২০২৬ বিশ্বকাপেও উজ্জ্বল ছিলেন এমবাপ্পে। ১০ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুট। তিন বিশ্বকাপ মিলিয়ে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২-এ, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে ফ্রান্সকে শেষ পর্যন্ত চতুর্থ হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয়েছে।
আগামী ২৬ অক্টোবরের ব্যালন ডি’অর পুরস্কারের সম্ভাব্য বিজয়ীদের আলোচনায় এমবাপ্পের পাশাপাশি হ্যারি কেইন ও লামিন ইয়ামালের নামও রয়েছে।
