আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করা ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে থাকা ইসরাইলি যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে সামরিক বিমান পাঠানোর অনুরোধ করেছিল ইসরাইল। তবে সৌদি ভূখণ্ডে ইসরাইলি সামরিক বিমান নামানোর সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে রিয়াদ।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুই সৌদি নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে আটকে পড়া ইসরাইলি যাত্রীদের ফিরিয়ে নিতে ইসরাইলি বিমানকে সৌদি ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তবে সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় রিয়াদ ওই অনুরোধ অনুমোদন করেনি। ইসরাইল যাত্রীদের ফিরিয়ে নিতে ‘সুপার হারকিউলিস’ সামরিক পরিবহন বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল বলেও একটি সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে বুধবার দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমান আকাশে জরুরি পরিস্থিতির সংকেত পাঠানোর পর সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। ফ্লাইটটি নিরাপদে অবতরণ করে এবং যাত্রীদের সবাইকে নিরাপদ বলে জানিয়েছিল ফ্লাইদুবাই।
ঘটনাটি ঘটে বিমানের ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষের পর। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী, সহকারী পাইলট মূল পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা হস্তক্ষেপ করে তাকে নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে তিনি জানান। তবে ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ও উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্ত চলছে।
তাবুক বিমানবন্দর ও ফ্লাইদুবাই জানিয়েছে, আহত দুই পাইলটকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং যাত্রীদের জন্য বিকল্প উড়োজাহাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে উদ্যোগ চালিয়ে আসছে। সৌদি আরব অবশ্য জানিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট পথ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত তারা আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেবে না।
