ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নিরাপত্তা জোরদার করতে সাধারণ নির্বাচনি এলাকার তুলনায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। এ ছাড়া প্রতিটি ভোটকেন্দ্র সিসি ক্যামেরার আওতায় রাখা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ জানান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কোনো পরিকল্পনা নেই। সেনাবাহিনী ছাড়াই শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ ও নির্বিঘ্ন করতে অন্যান্য সাধারণ নির্বাচনি এলাকার তুলনায় তিন গুণ বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োগ করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা
নির্বাচনের আগে বা ভোটের দিন কেউ অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন নির্বাচন কমিশনার।
তিনি জানান, এ ধরনের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
বৈঠকে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেনসহ জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
