নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহাল, কারাবন্দী সদস্যদের মুক্তি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বিডিআর কল্যাণ পরিষদ।
সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে দাবিগুলো বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার কথা জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর অনেক বিডিআর সদস্য চাকরি হারিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে যারা নির্দোষ, তাঁদের পূর্ণ ক্ষতিপূরণ ও চাকরির সব সুযোগ-সুবিধাসহ দ্রুত পুনর্বহাল করতে হবে।
এ ছাড়া বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকা নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের মুক্তির দাবিও জানানো হয়। সংগঠনটির নেতারা অভিযোগ করেন, অনেক সদস্য মিথ্যা সাক্ষ্য ও যথাযথ বিচারপ্রক্রিয়ার ঘাটতির কারণে শাস্তির মুখে পড়েছেন।
স্বাধীন তদন্তের দাবি
বিডিআর কল্যাণ পরিষদ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বিশেষ ও সংক্ষিপ্ত আদালতের মাধ্যমে যেসব আদেশ বা সিদ্ধান্ত অন্যায়ভাবে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন, সেগুলো বাতিল করে পুনরায় পর্যালোচনা করতে হবে।
চার দফা দাবি
সংবাদ সম্মেলনে মূলত চারটি দাবি তুলে ধরা হয়—
১. নির্দোষ চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের ক্ষতিপূরণসহ চাকরিতে পুনর্বহাল।
২. নিরপরাধ ও দীর্ঘদিন কারাবন্দী বিডিআর সদস্যদের দ্রুত মুক্তি।
৩. পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধানে স্বাধীন তদন্ত কমিশন কার্যকর করা।
৪. বেআইনি ও অন্যায় আদেশ বাতিল করে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা।
বিডিআর কল্যাণ পরিষদের নেতারা বলেন, তাঁদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী সময়ে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
